Friday, June 26, 2015


 রংপুর নগরের জেল রোডে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিপরীতে আরডিআরএস ভবনটি আপাদমস্তক লতাপাতায় আচ্ছাদিত। রয়েছে সারি সারি শোভাবর্ধক গাছ। আছে ফলের গাছ ও মনোমুগ্ধকর ফুল।
স্থপতি মোবাশ্বের হোসেনের ডিজাইন করা ২.২৫ একরের এই কমপ্লেক্সটিকে পুরোপুরি সবুজ ও পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তোলা হয়েছে।



খানকার বিভিন্ন গাছপালা, লতাপাতার মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে ‘ওয়াল ক্রিপার’। গাছটি এখানকার ভবনগুলোকে বেঁধেছে পরম মমতায়। এর ছোঁয়ায় দালানগুলো যেন পেয়েছে প্রাণ। হয়ে উঠেছে নান্দনিক।




বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি প্রকাশিত উদ্ভিদ ও প্রাণি জ্ঞানকোষের তথ্য অনুযায়ী এটি লতাডুমুর বা দেয়ালডুমুর নামে পরিচিত। কেউ কেউ আবার লতাবটও বলেন। বৈজ্ঞানিক নাম Ficus pumila। ইংরেজি নাম Fig Ivy, Creeping Fig, Climbing Fig। ডুমুর প্রজাতির এই গাছের জন্ম চীন ও জাপানে।


  এটি বহুবর্ষজীবী অধিক শাখান্বিত লতানো গাছ। অক্টোবর থেকে মার্চ মাসের মধ্যে ফুল ও ফল হয়। ফল খাওয়া যায়। সাধারণত শোভাবর্ধক হিসেবেই দেয়ালে লাগানো হয়।